Discover the Colorful World

book Now

New Experience

book Now

Making Your Holiday Marvelous

book Now

Experience the best trip ever

book Now

Elish Festival!!! Special Attraction only in Jhinuk Camp.| ইলিশ উৎসব - মন ভরে ঘোরা আর পেট ভরে খাওয়া    Know More   book Now


মৌসুনীর ইতিকথা

ঝিনুক ক্যাম্পের মনোরম পরিবেশ পথের ক্লান্তি দূর করে দেয়। ঝিনুকের সামনেই অনন্ত অনাদি জলধি। এই নিরালা সৈকতে স্নান করে দারুণ মজা। কোথা দিয়ে সময় কেটে যায় বোঝা যায় না। ঝিনুকের আতিথেয়তা সীমাহীন। অসাধারণ রসনা তৃপ্তিকর খাবারের আয়োজন আপনার মন ভরাবেই। চিঙড়িমাছের মালাইকারি মনে রাখার মত। সন্ধ্যাবেলা অন্ধকার নির্জন সৈকতে সমুদ্রের গর্জনের মাঝে ক্যাম্পফায়ার আর চিকেন-বার-বি-কিউ আপনার নেশা ধরিয়ে দেবে। বেলাভূমিতে জলের আওয়াজ শুনতে শুনতে এক অদ্ভুত আবেশ মন আচ্ছন্ন করে দেয়। কখন যে সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত নেমে আসে মৌসুনীর বুকে - বোঝাই যায় না।

রাতের খাবারে অপেক্ষা করছে রুটি, আলু ভাজা আর চিকেন কষা। দুটো-তিনটে দিন যে কোথা দিয়ে কেটে যায় - বোঝাই যায় না। মৌসুনীর নির্জনতা, নৈশব্দ্য ভীষণ ভাবে আকর্ষণ করে শহুরে ব্যস্ততায় ক্লান্ত মনকে। আর মৌসুনীকে অনুভব করতে গেলে ঝিনুক ক্যাম্পে আসতেই হবে।



Come & feel the magic of Mousuni Island in Jhinuk Camp

Welcome to the serene and mesmerizing Mousuni Island, near Namkhana, West Bengal. To enjoy the beauty of the River and the sea. Explore the beauty and essence of Mousuni - a small island of the Sunderban Delta, at the confluence of the river Ganges and the sea of Bay of Bengal. Situating at the distance of just 120 km from Kolkata, virgin Mousuni awaits for you with her picturesque landscape. Take a break from the bustling life and give yourself the treat of spending a weekend in nature's lap. Come to Mousuni Island to experience the stunning beauty of virgin beaches, golden sunshine on glittering sands, mangrove and village life. It gives you a feeling of coming back to the roots - far from the urban sophistication and luxury. Mousuni Island is nature lover's and photographer's delight because of its fascinating natural beauty.

You are welcome at any time. In Jhinuk Camp, we calculate the Check-out time as 24 hours from the time of your check-in in our camp. Our package includes Bed Tea, Breakfast, Lunch, Evening Tiffin, Dinner starting with a welcome drink when you arrive at our camp in Mousuni for your short weekend tour. You may reach Namkhana by train or car. From Namkhana, take a van rickshaw to reach Hatania-Duyania ghat(river). After crossing the river by boat, take a Magic Van for Bagdanga ghat of Chinay river. Cross the river by boat. Now, take a Toto to reach Mousuni Beach (Salt). Our camp is just on the beach.



দক্ষিণে মৌসুনি ।।

মৌসুনি। ছোট্ট একটা দ্বীপ, পশ্চিমবঙ্গের একদম দক্ষিণে। ঘুরে এলাম কদিন আগে দুদিনের জন্যে। শহরের ইট পাথর জঙ্গলের দৌরাত্ত্য থেকে বাঁচতে আর সঙ্গে এক মুঠো তাজা অক্সিজেন নিতে ছুটে যাওয়া এই দ্বীপে। এখনও ওখানে মাঠে ঘাটে শালিক, চড়াই পাখি দেখা যায় দেদার। সঙ্গে আরও অনেক পাখি। এই জায়গাটা বিশেষ পরিচিত ছিল না কিছুদিন আগে অবধিও। ২০০৯ এর ভওঙ্কর আইলা ঝড়ে খুবই বাজে ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে এই প্রান্তিক দ্বীপটি। একটি ত্রৈমাসিক পত্রিকা ( ‘শুধু সুন্দরবন চর্চা’ )এর দৌলতে প্রথম জানতে পারি মৌসুনির কথা। তাই ইছে ছিল অনেকদিনের।
শিয়ালদহ সাউথ থেকে ভোরের নামখানা লোকাল (সকাল ৫:১২) ধরে নামখানা পৌছাতে আটটা বেজে গেল। স্টেশনে সামান্য একটু খেয়ে একটা শেয়ারড টাঙ্গা রিকশা নিয়ে পৌঁছে গেলাম হাতানিয়া-দোয়ানিয়া নদীর ঘাটে। ৩/৪ মিনিটের নৌকা সফর করে উল্টোদিকে পৌঁছে গেলাম। দেখলাম কতো মানুষের পারাপার। দূরে দেখা যাছে বড় বার্জে গাড়ি কি করে পেরোচ্ছে। আরও দূরে দেখা যাচ্ছে নির্মীয়মাণ নতুন সেতু - হয়ে গেলে গাড়ি নিয়ে সোজা চলে যাওয়া যাবে ওই পারে; নৌকাতে পেরোতে হবে না আর। নদী-ঘাট থেকে হেঁটে চলে গেলাম বাস স্ট্যান্ডে- ওই নতুন ব্রিজের নিচে। মিনিট ৭/৮ লাগলো । সঙ্গে ভারী ব্যাগ থাকলে রিকশা বা টোটো নেওয়া যেতে পারে। এবার যেতে হবে বাগডাঙ্গা-চেনাই নদীর ঘাটে। বাসস্ট্যান্ড থেকে পাওয়া যাবে টাটা ম্যাজিক এর গাড়ি। শেয়ারে যাওয়া যেতে পারে। কিংবা একটা গাড়ি রিসারভ করে। ৪৫মিনিটের সফর। যদিও অনেকটা রাস্তা ভালা কিন্তু শেষ দিকের মিনিট ২০ রাস্তা একদম ভালো না। ইটের ভাঙ্গা রাস্তা। কোমর ও পিঠ ব্যাথা হতেই পারে। যাইহোক, অনেক ঝাকুনি খেয়ে পৌছালাম চেনাই নদীর ঘাটে। ভটভটি নৌকাতে পেরোতে ৩/৪ মিনিট। ভালো লেগে গেলো বেশ নৌকাতে চরতে। চারিদিকে খালি জলরাশি।ওই নৌকাই ওইদেশে জিয়নকাঁঠি, ওই নৌকা করেই মৌসুনির সমস্ত মানুষ যাতায়াত করেন। প্রতি ৩০ মিনিটে নৌকা পারাপার করে। নৌকা করেই সাইকেল, মোটর সাইকেল, মানুষ সবই পারাপার করছে। খুব বড় নৌকা আছে, যাতে করে ইট, বালি, সিমেন্ট, আরও দ্রব্যসামগ্রী নিয়ে যাওয়া হয় দ্বীপে। নদী পেরনোর মনে হোল, দিগন্তের উপরে খুব ভালো সূর্যাস্তের ফটো তোলা যাবে নৌকা থেকে। চেনাই নদী পেরোতেই আমরা পৌঁছে গেলাম মৌসুনিতে। বেলা তখন সাড়ে এগারো। চারিদিকে নদী ও সমুদ্র দিয়ে সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন এই দ্বীপ। আপাত ভাবে একটু অন্যরকম লাগলেও, এটাই বেশি প্রাকিতিক, সেটা মেনে নিতে হবে। শুনেছি কিছুদিন আগেও এখানে অনেক জায়গাতে বিদ্যুৎ ছিল না। সৌরবিদ্যুতই ছিল একমাত্র ভরসা। শুনলাম এখানে হাজার বিশেক লোকের বাস। মানুষের মধ্যে মিলমিশ অনেক বেশি। যেমন হয়, সবাই সবাইকে চেনে। সাধারণ চাষাবাদ ও মৎস্যজিবীকাই এখানে প্রধান আয়ের উৎস। মৌসুনিতে পৌঁছে আমাদের গন্তব্য ‘ঝিনুক ক্যাম্প’। ভীষণ পরিচিত নাম ওখানে। একবার বলাতেই টোটোওয়ালা বুঝে গেল। টোটো নিয়ে চললাম। প্রতিদিন শনি, রবিবার প্রচুর টুরিস্ট আসে এখানে। সেই ভীর ওদের কাছে খুব পরিচিত। ওখানকার লোকজনের থেকে জানলাম, তাদের প্রতিদিনের নিত্য যাতায়াত এর মাধ্যমই হল এই টোটো আর সাইকেল। দুটো টোটো যেতে পারে পাশাপাশি, এমন চওড়া কংক্রিটের রাস্তা। দুদিকে মাটির বাড়ি ও মাঝে মাঝে পুকুর ও জলাশয়। কিছু পাকা বাড়িও চোখে পড়ল যাত্রাপথে। চারিদিকে কৌতুহলী ছোটোদের চোখ। একটা পুরনো বাড়ি দেখলাম, হয়তো আমাদের টোটোর চালক বন্ধু হুসেন জানাল – সে ক্লাস এইট পর্যন্ত পড়াশোনা করেছে এখানকার স্কুলে। ফুটবল খেলতে ভালবাসে ভীষণ- মেসি ওর প্রিয় খেলোয়াড়। চারিদিকে সবজির ক্ষেত, হয়ে আছে বেগুন, টমাটো, সিম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, লঙ্কা, আলু, অনেক জায়গায় ধান কাটা হয়েছে সদ্য। গ্রামের ও ওদের প্রতিদিনের জীবনের গল্প শুনতে শুনতে কখন যে ২৫ মিনিট কেটে গেছে, খেয়াল নেই। এক সময় জানলাম আমরা এসে গেছি। হুসেন কে টাটা করে আমরা ব্যাগ নিয়ে চললাম, মিনিট ৫ এর পথ হেঁটে ধানের গোলা ও বেশ কিছু বাড়ি পেরিয়ে আমরা পৌঁছে গেলাম ঝিনুক ক্যাম্পে। আমাদের ওয়েল্কাম করার জন্যে উপস্থিত সইফুল। গাছ থেকে সদ্য পেরে আনা ডাবের জলে আমাদের গলা ভেজানো।
একটা সুন্দর পরিবেশ চারিদিকে। চারটে ক্যাম্প করা আছে পাশাপাশি। আমাদের জন্য বরাদ্দ একদম লাস্টের দিকে টা একটা ছিমছাম সুন্দর ক্যাম্প। দেখতে অনেকটা সেই এস্কিমোদের বাড়ির মতন। বালির উপরে প্লাস্টিক দিয়ে মোড়া মেঝে, কোনভাবেই বালি আসবে না ভিতরে। ভিতরে পরিস্কার বিছানা পাতা। বালিশ, কম্বল সব রয়েছে। মোবাইল চার্জ করার জন্যে পয়েন্টও আছে একটা।ক্যাম্পের ভিতর জালনাও করা আছে বাইরের ঠাণ্ডা হাওয়া আসার জন্যে। শুনলাম বেশি লোক হলে আরও ক্যাম্প করা হয়। চারিদিকে ঝাউ, দেবদারু গাছ ও অন্যান্য গাছ। সেই সব গাছের কাণ্ডে বাঁধা আমাদের ক্যাম্পের কোনাগুলো টানটান করে। আর দুটো গাছের মধ্যে বাঁধা বেশ কয়েকটা দড়ি-দোলনা। মনের গভীরে একা থাকার এক মোক্ষম উপায়। বেশ একটা ভালো লাগা কাজ করছে, এতো পথ কষ্ট করে আসাটা সার্থক মনে হচ্ছিলো।
বেলা হয়ে গেলো, সইফুল জানালো দ্বিপ্রাহরিক খাওয়া তৈরি। তাই দেরি না করে হাত মুখ ধুয়ে বসে পরলাম মাঠের মধ্যে বাঁশের তৈরি খাবার টেবিলে। একটা ছাতা দিয়ে সূর্য ঢাকা। পাতে এসে পড়ল গরম ভাত, ডাল, আলু ও বেগুন ভাজা, বাঁধাকপির তরকারি, লেবু, লঙ্কা, পেঁয়াজ। আর সঙ্গে পুকুর থেকে ধরা রুই মাছ। শেষে চাটনি। বাড়ি থেকে এতো দূরে এসেও বাড়ির মতন খাওয়া সত্যি বেশ উপভোগ্য।
খাওয়া শেষে হটাৎই যেন ক্লান্তি গ্রাস করে নিল। তাই ওই সুন্দর বিছানা ডাক দিল। তাই চললাম একটু জিরোতে।
বিকেলের ঠাণ্ডা মিঠে রোদ্দুর আর হালকা হাওয়া কে সঙ্গে নিয়ে বেরোলাম সমুদ্রের ধারে। জল ভীষণ শান্ত। জলের ধার দিয়ে অল্প অল্প পা ভিজিয়ে অনেক দূর হেঁটে চলে গেলাম। জলের ঢেউ বিশেষ নেই বললেই চলে। দূরে বেশ কিছু নৌকা চোখে পড়ল। নৌকাতে ভারতের ফ্ল্যাগ উরছে। কিছু নৌকা নোঙ্গর করা আছে। দূরে দেখা যাছে পশ্চিমবঙ্গের শেষ স্থলবিন্দু জম্বুদ্বীপ। আরেক পাশে সাগরদ্বীপ। অনেকে নৌকা করে সাগর ও জম্বুদ্বীপ ঘুরতে যায়। বিকেলের নরম আলোতে স্থানীয় বাচ্চারা খেলে বেরাচ্ছে। ক্যাম্প থেকে বেরিয়ে ডান দিকে সমুদ্র ধরে হাঁটলে দেখা যাবে জেলেরা তাদের জাল মেরামত করছে। নানা রকম মাছ শুকোচ্ছে শুঁটকি বানানোর জন্যে। বেশ খানিকটা এগিয়ে গেলে দেখা যাবে এখনও সেই বিধ্বংসী আইলার স্মৃতি ছড়িয়ে ছিটিয়ে। অনেক দূরে দেখা যাচ্ছে মৌসুনি কে নতুন করে তোলার একটা প্রয়াস। আমাদের সঙ্গ দিল সইফু্লের ছেলে ‘মাজিদ’। সে অনেক গল্প বলল। সারাদিন খেলে বেরাচ্ছে। আর মাঝে মাঝে একটু পড়াশোনা। চারিদক বেশ নিঝুম, একটু আধটু ঝিঝিপোকার ডাক। নিস্তব্ধতাই বেশি আকর্ষণীয়। জাগতিক নিয়মেই হঠাৎ সূর্য ডুবে গেলো দিগন্তের জলে। রাত যে কখন হোল তেমন বুঝতে পারলাম না। রাত হলেও বেশ চারিদিকের চুপচাপ ব্যাপারটা বেশ মন ভরিয়ে দিল।ফিরে আসতেই জানলাম গরম পেঁয়াজি ও চা অপেক্ষা করচ্ছে সঙ্গে মুড়ি। আনন্দিত না হবার কোনও কারণ নেই।
রাতে কাঠ জ্বেলে আগুন বানানো হল, সঙ্গে সইফুলের হাতে তৈরি বারবিক্যু চিকেন। চারিদিকে ছোটছোটো হ্যারিকেন জালানো; একটা বেশ মায়াবী রাতের আবহ আচ্ছন্ন করেছে আমদের। কোথাও কোন এক দূর থেকে শুনলাম কেউ একজন গীটার বাজাচ্ছে, ‘মুসাফির হু ইয়ারো’। মন চললো দূরে কোথাও।
রাতে পাতে এল দেশিমুরগীর পাতলা, ঝালঝাল ঝোলের সঙ্গে হাতে করা রুটি আর পেঁয়াজ ও লঙ্কা। গ্রাম বাংলার লঙ্কার জোর আছে। রাতে হারিকেনের আলোয় ডিনার বেশ লাগলো। বেশ অনেক রাত অবধি বাইরে বসে রইলাম স্তিমিত আগুনের ধারে। গল্প করলাম। শুধু নিজেদের কথাই শোনা যাচ্ছে। গল্প শেষ হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু কাঠের আগুন জ্বলে চলেছে।মাঝে মাঝে দূর থেকে ভেসে আসচ্ছে ঢেউয়ের আওয়াজ। আবার কবে এই অভিজ্ঞতা হবে সেই অনিশ্চয়তা থেকে মনে হচ্ছিলো রাতটা শেষ নাহলেই ভালো।
বিনাউপদ্রবে ঘুমিয়ে সকাল হতে দেখি চা তৈরি সঙ্গে বিস্কুট আর কিছুক্ষণ পরে লুচি,ঘুগনি ও সিদ্ধ ডিম। পরের দিন সকালে বেরলাম গ্রাম দেখতে চারিদিকে। দেখলাম সেখানকার মানুষের সহজ সরল জীবন যাত্রা। ‘শহর’ এখনও তাদের কাছে একটা বিস্ময়। কলকাতা হঠাৎই তাদের কাছে হয়ে গেছে কলিকাতা। বাইরের জগতের খবর তেমন এসে পৌছায় না তাদের কাছে। অনেকের সাথে কথা বল্লাম। বাচ্ছারা খেলা করলো আমাদের সাথে। ওদের ওই নিস্পাপ মুখগুলো এখনও মনে আঁকা আছে।বাড়ির বউরা উঠোন নিকোচ্ছে বা ঘুঁটে দিচ্ছে দেওয়ালে। বাড়ির পুরুষরা কেউ জাল বুনচ্ছে বা সেলাই করছে। কেউবা পুকুরে জাল ফেলে মাছ তুলচ্ছে।
কথা বলে জানলাম মৌসুনির গত তিরিশ চল্লিশ বছরের ইতিহাস। সমুদ্র এগিয়ে আসছে প্রতিবছর আর গিলে নিচ্ছে একটু একটু করে গ্রাম গুলো। আগে ওখানে একটা বিশাল বড়ো বালির পাহাড় ছিল, যার জন্যে একটা জায়গার নাম ছিল ‘বালিয়াড়া’, সেই বালির ঢিবি সমুদ্রে গ্রাস করেছে বেশ কিছু বছর আগেই। শীতকালে তেমন জল না থাকলেও, ভাদ্র মাসে ঢেউয়ের উচ্চতা দোতলা বাড়ির মতন হয়। আগামী দিনে কি হবে কেউ জানে না- বলল গ্রামের এক প্রবীণ মানুষ, মন্সুর আলি। সেই অনিশ্চয়তায় অবশ্য কোনও হেলদোল নেই। ২০০৯ এর আইলার স্মৃতি বেশ তাজা এখনও তার মনে। অনেক বলার পরে একটু ভরাক্রান্ত মনে মনোনিবেশ করলেন জালের ফুটো সেলাই করতে। - আমিও এগিয়ে চললাম।
দারুন কাটলো দুটো দিন। ছেড়ে আসতে মন খারাপ লাগচ্ছিল। জানি না, আর কোনও দিন দেখা হবে কি না ওদের সাথে। কিন্তু ইচ্ছে রইল আরেকবার ফিরে যাবার।
-- ‘এ ভাবেও ফিরে আসা যায়’।

— at Mousuni island
By Saptaswa Sarkar, Salt Lake, Kolkata -700106



Camping In Mousuni Island

You will experience the adventure of spending nights in tents. The camp is set up right on the beach, surrounded by big trees. Immerse yourself in tranquility in the lap of nature. The Beach Camping in Mousuni is worth to enjoy. You can enjoy Bonfire and Barbecue by the seaside. Although the urban facilities are not there, you are sure to get the basic amenities. The food you get here is fresh, simple, homemade. Mousuni with sea, sun, sand and river and solitude is ready to welcome you. Indulge yourself this weekend on this pristine island. Let Mousuni be your weekend destination this time